কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খাইরুল আমিন রুহুল সরকার (৫০) নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতা মারা গেছেন।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এর আগে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি হাসপাতালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মারা যাওয়া খাইরুল আমিন রুহুল সরকার কটিয়াদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং লোহাজুরী ইউনিয়নের দশপাখি গ্রামের মৃত উসমান গণির ছেলে।
তিনি কেন্দ্রীয় দলিল লেখক সমিতির সাবেক সহআইনবিষয়ক সম্পাদক ও কটিয়াদী দলিল লেখক সমিতির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার নাশির আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কারাগারে থাকা অবস্থায় তার বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট শুরু হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে খাইরুল আমিন রুহুল সরকারকে গ্রেপ্তার করে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।